কিববিয়া খান ও এম. এ হাসিব বাদলের বক্তব্যের আলোকে টুয়াক কার্যকরী কমিটির জবাব

Toac-Pic_1.jpg

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
গত কয়েকদিন স্থানীয় দৈনিক প্রত্রিকা ও অনলাইন নিউজে টুয়াককে জড়িয়ে সাংঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গ, আর্থিক দুর্নীতি, ও সাক্ষর জালিয়াতির জন্য টুয়াক হতে বহিষ্কৃত ব্যক্তি দ্বয় ও টুয়াকের বর্তমান কার্যকরী কমিটির গতিশীল নেতৃত্ব ও পর্যটন মুখী কর্মকান্ডে ইর্ষান্বিত হয়ে টুয়াকের বিরুদ্ধে মনগড়া, কল্পনা প্রসুত, সাধারণ সদস্যদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির কু-মানসে এস এম কিবরিয়া খান, আসাফ উদ দৌলা আশেক ও এম এ হাসিব বাদলের নামে প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি আমাদের নিম্নসাক্ষর কারী বর্তমান কার্যকর কমিটির দৃষ্টি গোচর হয়েছে। টুয়াকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদ্রে এহেন কাল্পনিক, মিথ্যা তথ্যে টুয়াক সাধারণ সদস্য ও শুভাকাঙ্খীদের বিভ্রান্ত না হতে বর্তমান কার্যকরী কমিটির বক্তব্য পেশ করছি।
আপনারা অবগত আছেন, ২০১৫ সালের ১০ইং অক্টেবর এক জাকজমক ও আন্তরিক পরিবেশে টুয়াকের নির্বাচন সম্পন্ন হয়। ২৮ শে অক্টোবর ২০১৫শপথ গ্রহন হলেও এস এম কিবরিয়া ও আসাফ উদ দৌলা আশেকের বিগত কমিটি বিভিন্ন তালবাহানায় দায়িত্ব হস্তান্তর করতে সময়ক্ষেপন করতে থাকে। এবং এক সময় সাধারণ সদস্যদের চাপে ৮ই ডিসেম্বর ২০১৫ ইং দায়িত্ব হস্তান্তর করতে বাধ্য হয়। দায়িত্ব হস্তান্তর করলে ও আসাফ উদ দৌলা আশেকে তার স¦ভাব চরিত কু-মানসে সংগঠনের দায়িত্বশীল পদে থেকে সংগঠন বিরোধী বিভিন্ন কর্মকান্ড, সাধারণ সদস্যদের মাঝে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর খবর ছড়াতে থাকে এমনকি দায়িত্ব হস্তান্তরের ৭ দিনের মাথায় নির্বাচনে ৩য় হওয়া পরাজিত প্রার্থী এস এম কিবরিয়া খানকে সভাপতি দেখিয়ে বিগত ১৬ ডিসেম্বর ২০১৫ ইং তারিখ জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রচারের মাধ্যমে সভা আহবান করেন। উক্ত সভায় ২৭ জনের উপস্থিত দেখিয়ে টুয়াক সদস্যদের সাক্ষর জাল করে টুয়াক সদস্য নয় এমন কতিপয় ব্যাক্তিকে নিয়ে নিজেকে আহবায়ক দেখিয়ে আহবায়ক কমিটি গঠন করে বানিজ্য মন্ত্রনালয়ে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করে। যা টুয়াক কার্যকরী কমিটি ও সাধারণ সদস্যদের সম্পুর্ণ অগোচরে। দায়িত্ব গ্রহনের পর হতে সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাফ উদ দৌলা আশেক, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মো: আরিফ, সাবেক অর্থ সম্পাদক শহীদুল্লাহ নাইম এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন আর্থিক দুর্নীতি ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজের অভিযোগ আসতে থাকে। এবং বিগত সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিগত কমিটির হিসাব নিরীক্ষা করা হলে নীরিক্ষা প্রতিবেদনে তাদের দুনীর্তির বিষয়টি সকল সাধারণ সদস্যদের মধ্যে দিবালোকের মতো পরিষ্কার হয়ে যায়। ফলশ্রুতিতে টুয়াকের চলমান কার্যক্রমে উক্ত ব্যাক্তিরা সহযোগীতার বদলে বিভিন্ন ভাবে বাধা সৃষ্টি ও ষড়যন্ত্র অব্যহত রাখে।
টুয়াকের সাংগঠনিক কার্যক্রম কে এগিয়ে নেওয়ার সার্থে সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাফ উদ দৌলা আশেকের বিরুদ্ধে কার্যকরী কমিটির ১৫ সদস্যের মধ্যে ১১ জন সদস্য অনাস্থা জ্ঞাপন করেন।
২৯ শে নভেম্বর ২০১৬ ইং তারিখে প্রকাশিত এস এম কিবরিয়া খানের প্রতিবাদ পত্রে যে সব কল্পনা প্রসুত, ইর্ষান্বিত ও বিদ্বেষ পূর্ণ , অসত্য, বিভ্রান্তিকর তথ্যের উল্লেখ করেছেন তার জন্য তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি ও তার জবাবে আমরা বলতে চাই, বর্তমান একটি নির্বাচিত কমিটি দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় দায়িত্ব গ্রহনের মাত্র ৭ দিনের মাথায় সাধারণ সদস্য ও কার্যকরী কমিটির অগোচরে ঢাকার প্রত্রিকায় পরাজিত সভাপতি এস এম কিবরিয়া খান নিজেকে সভাপতি পরিচয় দিয়ে টুয়াকের নামে সভা আহবান করতে পারেন কিনা? তার বক্তব্যে বর্তমান সভাপতি এম রেজাউল করিম ভোট ক্রয়ের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন মর্মে উল্লেখ করেছেন, তার এ ধরনের বক্তব্যটি সাধারণ সদস্যদের মূল্যবান রায়ের প্রতি চরম অবজ্ঞা প্রদর্শন নয় কি? গচ্ছিত অর্থ এখন ও ফেরত না পাওয়া একটি শব্দ উল্লেখ করেছেন। টুয়াকের বিগত ১৪ বছরের ইতিহাসে একমাত্র আপনি এস এম কিবরিয়া খান ও আসাফ উদ দৌলা আশেক পরিচালিত কমিটির বিরুদ্ধে টুয়াকের সাধারণ সদস্যদের টাকা ও মেলার নামে অর্থ লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে এবং তা অডিট আপত্তি দ্বারা প্রমানিত। এস এম কিবরিয়া খান আপনি একজন সাধারণ সদস্য থাকাকালীন বারংবার তাগাদা দেওয়া সত্বেও ২০১৫ সালের বকেয়া ফি পরিশোধ করেন নি। তা কি শাক দিয়ে মাছ ডাকা নয়? আপনি আরো বলেছেন অফিস বিহীন সদস্য পদ দেওয়া, আমরা দৃঢ চিত্তে বলতে চাই আমরা নই বরং আপনার কমিটি যাদের সদস্য পদ দিয়েছিল এবং যাদের কে সাথে নিয়ে টুয়াকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছেন তারা কত জন প্রকৃত পর্যটন ব্যবসায়ী ও কার অফিস কোথায়? বরং আপনি ও বহিস্কৃত আসাফ উদ দৌলা বিগত কমিটি থাকা কালীন বিভিন্ন জনকে সদস্য পদ দেওয়ার লোভ দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন যার অভিযোগ আমরা প্রতিনিয়ত পাচ্ছি। আপনি আরো বলেছেন সাধারণ সম্পাদক কে দুই দুই বার বহিষ্কার করা হয়েছে যা সম্পুণ মিথ্যা। সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাফ উদ দৌলা আশেক এর প্রতি কার্যকরী কমিটির অনাস্থা জ্ঞাপন করা হয়েছিল, আর পরবর্তীতে সাধারণ সদস্যদের মতামত কে সম্মান প্রদর্শন পূর্বক ্আসাফ উদ দৌলা আশেক কে বহিষ্কার করা হয়েছে। আপনি অনস্থাকে দুইবার বহিস্কার করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। অনাস্থা আর বহিস্কার এর মধ্যকার পার্থক্য বুঝতে না পারাটা কি আপনার অজ্ঞতার পরিচয় নয়?
বর্তমান কমিটি দায়িত্ব গ্রহনের পর টুয়াকে একটি প্রতিনিধিত্বশীল পর্যটন সেবীদের অনন্য সংগঠনের রুপদানে বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা সদস্যদের তথ্য হালনাগাদ করার লক্ষ্যে আপনার কাছ হতে সর্বশেষ তথ্য আহবান করা হলেও আপনি আজ অবদি কোন তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করেননি। আপনার পরিচয় নিয়ে এমন লুকোচুরির কারণ সাধারণ সদস্যদের কাছে বোধগম্য নয়। বিগত কমিটি সমূহ কি উন্নয়ন করেছেন তা সহজে অনুমেয় যেখানে আমাদের প্রাণের সংগঠন টুয়াকের সাধারণ সদস্যদের জন্য অফিস ব্যবস্থা করতে পারেন নি। আর এই বর্তমান কমিটি অন্যান্য কাজের পাশাপাশি অফিসের ব্যবস্থা করেন যা গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পর্যটন মন্ত্রী মহোদয় শুভ উদ্ভোধন করেন। প্রকাশিত বক্তব্যে কাল্পনিক ফ্উান্ডার কমিটি নামক এক হাস্যকর কমিটির অবতারনা করেছেন। আমাদের জানামতে ফাউন্ডার কমিটি নামক কোন কমিটির অস্থিত্ব নেই। কেউ নিজেকে স্ব-ঘোষিত চেয়্যারম্যন হিসাবে পরিচিত করে অবৈধ ফায়দা হাসিলের ্উদ্যেশ্যে দুই এক জন চিহ্নিত ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে নিয়ে বর্তমান কার্যকরী কমিটি ও সাধারণ সদস্যদের অগোচরে টুয়াক সংযুক্ত কোন নাম ব্যবহার করে কোন কমিটি গঠন করে থাকলে তার দায় দািয়ত্ব টুয়াক বহন করবেনা। এস এম কিবরিয়া খান বহিস্কার বিষয়ে যে অদ্ভুদ আইনের উল্লেখ করেছেন, তার জবাবে আমরা বলতে চাই, আপনার দায়িত্বপালনকালীন সময়ে পূর্ববর্তী একজন সাবেক সভাপতিকে সাধারণ সদস্যদের সম্মতিতে বহিষ্কার করেছিলেন। বরং তার চেয়ে বহু গুন অপরাধ করে প্রমানীত হয়ে সাধারণ সদস্যদের দেওয়া বহিষ্কার আদেশ আপনার বেলায় কি প্রযোজ্য নহে? এভাবে সাধারণ সদস্য ও কাল্পনিক ফাউন্ডার কমিটি সদস্য হিসাবে সদস্যদের মাঝে শ্রেনী বিভাদ সৃষ্টির অপচেষ্টা টুয়ক সদস্যরা প্রতিহত করবে।
মুলত বিষয় হলো, এস এম কিবরিয়া খান পরাজিত হয়ে দিক বিদিক জ্ঞানশুন্য হয়ে দুর্নীতি পরায়ন সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাফ উদ দৌলা আশেক যা বিরোদ্ধে মেলার নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিজ্ঞ আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে, যার মামলা নং-৫৫০/২০১৬, এবং বিভিন্ন নাশকতা মামলার আসামীকে সাথে নিয়ে টুয়াকের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।
সকলের জ্ঞাতার্থে বলতে চাই আর্থিক দুর্নীতি ও শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ডর জন্য বহিষ্কৃত সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাফ উদ দৌলা আশেক এর সাথে টুয়াকের বর্তমান সভাপতি এম রেজাউল করিমের মধ্যে কোন দন্দ নেই। এ ধরনের কোন প্রকার দন্দ খোজার অবকাশ নেই।
আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারীগণ দৃঢ চিত্তে বলতে চাই,
আমরা বর্তমান কার্যকরী কমিটির নির্বাচিত সভাপতি এম রেজাউল করিমের নেতৃত্বের প্রতি পুর্ণ আনুগত্য প্রকাশ করছি এবং ভবিষ্যতে টুয়াকের বিরোদ্ধে মিথ্যা প্রপাগন্ডা, টুয়াকের সুনামহানিকর কোন অপতৎপরতা করা হলে সাধারণ সদস্যদের সাথে নিয়ে কুচক্রীমহলের বিরুদ্ধে আইনগত প্রদক্ষেপ নিতে কুন্ঠাবোধ করবো না।

স্বাক্ষর কারীগণ:
১.এম রেজাউল করিম
সভাপতি
২. এস এম কামরুজ্জামান ওবাইদুল
সিনিয়র সহ-সভাপতি
৩.মিজানুর রহমান মিল্কী
সহ-সভাপতি
৪. মো: জসিম উদ্দিন
সধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত)
৫.মো: আরকান
অর্থ সম্পাদক
৬. মো: ফোরকান জুয়েল
সাংগঠনিক সম্পাদক
৭. ইকবাল হোসাইন সাজ্জাদ
দপ্তর সম্পাদক
৮. নুর মো: মনির
তথ্য ও আর্ন্তজাতিক বিষয়ক
৯. বেলাল আবেদীন ভুট্টো
পর্যটন বিষয়ক
১০.কাজল মহাজন
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
১১.কাদের খান
কার্যকরী সদস্য

Top