পুলিশই সরকার, সরকারই পুলিশ

taimur.jpg

পুলিশের অনুমতি নিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করার সংস্কৃতি শেখ হাসিনা সরকারের আমলেই প্রতিষ্ঠিত হলো। গণতান্ত্রিক অধিকার পাওয়ার জন্য ব্রিটিশ থেকে পাকিস্তান স্বাধীন হয়েছিল। পাকিস্তান যখন গণতন্ত্রের ওপর স্টিম রোলার চালাল, তখনই অধিকারবঞ্চিত মানুষ পাকিস্তান থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত হলো। স্বাধিকার থেকে শুরু হলো স্বাধীনতা সংগ্রাম। পরে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হলো, প্রণীত হয় একটি সংবিধান। কিন্তু কার্যত সংবিধানকে লঙ্ঘন করে একনায়কতন্ত্র কায়েম করে সরকার সঙ্ঘাতের দিকে দেশকে ঠেলে দিচ্ছে।
সংবিধানের ৩৭ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে-
সমাবেশের স্বাধীনতা : ‘জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হইবার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।’
সংবিধানের ৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে আরো উল্লেখ আছে যেÑ
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাকস্বাধীনতা : ‘(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল, (২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রগুলোর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার এবং (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।’
সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। এ আইনে নাগরিকদের সমাবেশ করার স্বাধীনতা এবং বাকস্বাধীনতার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। সংবিধানে যে অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, সে অধিকার বাস্তবায়নে পুলিশের অনুমতি নিতে হবে কেন?
পুলিশের স্বচ্ছতা নিয়ে অভিযোগ নতুন নয়। ব্রিটিশ আমলে পুলিশের সৃষ্টি, দেশ স্বাধীন হয়েছে দু’বার, কিন্তু খাসলত বা নৈতিকতার একটুও পরিবর্তন হয়নি, বরং ডেটোরিয়েট করেছে। নেতাজী সুভাষচন্দ্র বোস অনশন করে জেল থেকে বের হয়ে মুসলমানের বেশ (পোশাক) ধরে জার্মানিতে চলে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ তার ঘড়িটি জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়, যে হাতঘড়িটি তিনি আইসিএস যোগ্যতাপ্রাপ্তির পর তার পিতা উপহার দিয়েছিলেন (উল্লেখ্য, বোসকে চিনতে পারলে আটক করে ব্রিটিশের হাতে তুলে দিত)। এখনো কি ব্যতিক্রম হচ্ছে? পুলিশ কি একটি নিরপেক্ষ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে? পুলিশের ভূমিকা এতই হাস্যকর, যার কারণে এ বাহিনীর অবস্থান জনমনে কতটুকু, তা পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তারা উপলব্ধি করতে পারছেন না। কিন্তু বর্তমানে সরকার যেভাবে পুলিশবাহিনীকে ব্যবহার করছে, তাতে জনগণের মুখোমুখি পুলিশকে দাঁড় করিয়ে সরকার কতটুকু লাভবান হবে?
সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সব অইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান। কিন্তু অবাক হয়েই বলতে হয়, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাইলেই পুলিশ পেটায়। পুলিশের হাতে অনেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই নিগৃহীত হয়েছেন। যেমনÑ আবদুল মতিন চৌধুরী, রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব:) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, লুৎফুজ্জামান বাবর প্রমুখ। ফলে আজকে যারা পুলিশকে দিয়ে সমাবেশ ও বাকস্বাধীনতার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন, একদিন পুলিশই তাদের জন্য প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। সরকারের সাথে চলতি সখ্যের কথা পুলিশকে তখন স্মরণ করিয়ে দেয়া হলে, তারা শুধু বলবে ‘I am sorry, sir.’ এটাই তো বাস্তবতা। জমিদাররা লাঠিয়াল বাহিনী লালন করত প্রজাদের লাঠিপেটা করার জন্য। আইনে নাগরিকদের অধিকার যা-ই থাকুক, সরকার পুলিশকে দিয়ে সে কাজটিই করাচ্ছে।
বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সরকার এবং বিরোধী দু’টি সংগঠনই রাজনৈতিক দল এবং পর্যায়ক্রমে এরাই ক্ষমতায় ছিল। ১/১১-এর অবৈধ সরকার কর্তৃক দুই দলই কারারুদ্ধ থাকলেও ক্ষমতাসীনেরা সুযোগের সদ্ব্যবহার করে আজ ক্ষমতায় এবং আচরণে মনে হচ্ছে, তারা মনে করছে আর ক্ষমতাচ্যুৎ হবে না, যদিও ২০৪১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার দৃঢ়তা ব্যক্ত করেছে। এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, ভবিষ্যতে ২০৪২ সাল কি আসবে না? তখন পুলিশ কিভাবে ব্যবহৃত হবে?
সাংবিধানিক অধিকার থাকা সত্ত্বেও পুলিশের মর্জির ওপর সভা-সমাবেশ করার যে সংস্কৃতি চালু হলো, তার শেষ কোথায়? ৭-৮ নভেম্বর ২০১৬ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার জন্য পুলিশের কাছে বিএনপি অনুমতি চাইল। পুলিশ বলে, তারা কোনো আবেদন পায়নি। তারপর ৯-১১-১৬ তারিখে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ২ ঘণ্টা আগে সমাবেশ করার অনুমতি দিলো ২৭টি শর্ত জুড়ে দিয়ে। বিএনপি সে অনুমতি প্রত্যাখ্যান করল। বাস্তবতার নিরিখে সে অনুমতি প্রত্যাখ্যান করাই যুক্তিসঙ্গত, যে অনুমতির সদ্ব্যবহারের কোনো সুযোগ ছিল না। এটা ছিল বিএনপির সাথে পুলিশের রসিকতা। পুলিশ নিজেকে এতটা ক্ষমতাসীন মনে করে এ কারণে যে, তাদের ছাড়া সরকার চলতে পারবে না, এটাই পুলিশের বদ্ধমূল ধারণা। তাই তারা মহাশক্তিশালী। ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’- এ স্লোগানটি গায়ে লিখে এরশাদ সরকারের বুলেট বুকে নিয়ে বিগত ১০-১১-১৯৮৭ তারিখে নূর হোসেন শাহাদত বরণ করেন। নূর হোসেনের তাজা রক্তের বিনিময়ে এরশাদ ৬-১২-১৯৯০ তারিখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। সেই এরশাদকে সাথে নিয়ে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতায় থেকে যে গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছেন, তা দেখে নূর হোসেনের আত্মা নিশ্চয়ই শান্তি পাওয়ার কথা নয়।
গণতন্ত্রের সংজ্ঞা পরিবর্তন করেছেন শেখ হাসিনা, যদিও ইতঃপূর্বেও অনেক শাসক এ সংজ্ঞা পরিবর্তনে জনগণের রোষানলে পড়েছে, এ কথাও সরকার উপলব্ধি করতে পারছে কি না, তাতেও সন্দেহ প্রকাশ পাচ্ছে তাদের আচরণের কারণে।
সভা-সমাবেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা পুলিশের দায়িত্ব। একটি রাজনৈতিক দল সমাবেশ করতে পারবে কি পারবে না বা কোথায় করবে, এ স্থান নির্ধারণ করে দেয়ার দায়িত্ব পুলিশের নয়। পুলিশের এ ধরনের কর্তৃত্বকে মেনে নেয়ার রাজনৈতিক দল বিশেষ করে জাতির জন্য লজ্জাজনক। অন্য দিকে বিএনপি থেকে যখন বলা হয় ‘আমাদের অনুমতি দিন এবং অনুমতি না পাওয়া পর্যন্ত অনুমতি চাইতেই থাকব’- এসব কথাবার্তা পুলিশের মনোবল বাড়িয়ে দেয় এবং দলের দুর্বলতা প্রকাশ পায়। বিএনপির পক্ষ থেকে ভদ্রবেশী আবেদন মূল্যহীন। কারণ ভদ্রতাকে এখন দুর্বলতার প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়।
বুদ্ধিজীবী সমাজ আজ দ্বিধাবিভক্ত, এ কথাটি সঠিক নয়। কারণ উপলব্ধিবোধ সবারই আছে, কিন্তু ন্যায্য কথা বলা এড়িয়ে যায় এ কারণে যে, যদি সরকার রুষ্ট হয়ে যায়, তবে তো রুটিরুজির পথ ও রাজকীয় জীবনযাপন বন্ধ হয়ে যাবে।
দলীয় উগ্রতার শিকার এখন বাংলাদেশ। স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে সরকার পুলিশ দিয়ে গণতন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করছে, যেমনটি করেছিল ব্রিটিশ ও পাকিস্তান। বর্তমানে সাম্প্রদায়িকতাকে ভিন্নপথে উসকে দিচ্ছে সরকার বা সরকারের ভেতরে থাকা একটি অংশ। এ কারণে মনে হয়, নাসিরনগরে সাম্প্রদায়িক উন্মাদনার পরপরই যেভাবে দেশব্যাপী বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে পড়েছে তা ইতঃপূর্বে কোনো দিন লক্ষ করা যায়নি। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা সরকারের স্থানীয় মন্ত্রী ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে দায়ী করেছে। মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কয়েকটি জেলায় মামলা পর্যন্ত হয়েছে। সরকার ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য ১৪ দলের ব্যানারে কথা বলছে, যা ইতঃপূর্বেও তারা বলেছে। ভিন্নধর্মীদের সংখ্যালঘু বলে তাদের প্রতি সহানুভূতি দেখানোর অর্থই হলো তাদের খাটো করে দেখা। কারণ সংখ্যালঘু বলতে সংবিধানে কোনো শব্দ নেই।
সরকার ‘ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ’কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে শুধু এটাকেই স্বাধীনতার চেতনা হিসেবে লাইমলাইটে আনার চেষ্টায় লিপ্ত। ইসলাম একটি অসাম্প্রদায়িক ধর্ম। সাম্প্রদায়িকতার স্থান ইসলাম ধর্মে নেই, অথচ মুসলমান নামধারী বকবুদ্ধিজীবীরা কলকাতার কাছে মাথা বিক্রি করে ইসলাম ধর্মকে সাম্প্রদায়িক বানানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত। ইসলামবিদ্বেষী স্লোগান তাদের উর্বর মস্তিষ্কের ফসল। ১৯৭০ সালের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে ক্ষমতায় গেলে সংবিধানে ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ সংযোগ করবে, এ ধরনের কোনো ঘোষণা আওয়ামী লীগের ছিল না, বরং ক্ষমতায় গেলে কুরআন ও সুন্নাহবিরোধী আইন প্রণয়ন করা হবে না, এটাই ছিল সে সময়ে আওয়ামী লীগের প্রতিশ্রুতি, যা তারা বারবার বিভিন্ন সমাবেশে উচ্চারণ করেছেন। যেমন-
(ক) ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে ঘোষিত ২১ দফা কর্মসূচি।
(খ) ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবের ৬ দফা কর্মসূচি।
(গ) ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ঘোষিত সর্বদলীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা কর্মসূচি।
(ঘ) ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো।
(ঙ) ১৯৭১ সালের ২৩ জানুয়ারি সাবেক রেসকোর্স ময়দানে অনুষ্ঠিত লাখ লাখ লোকের জনসভায় সেই সময়কার জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্যগণকে পাঠ করানো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের শপথবাক্য।
(চ) মুজিব, ইয়াহিয়া ও ভুট্টোর মধ্যে ১৯৭১ সালের ১৪ মার্চ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কর্তৃক পেশকৃত পাকিস্তানের খসড়া সংবিধান এবং
(ছ) ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
এই সাতটি স্তরের একটি স্তরেও সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদকে বাংলাদেশের মৌলিক রাষ্ট্রীয় কাঠামো হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি।
সম্পদের সুসম বণ্টন ও গণতন্ত্রের জন্যই স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা এবং এটাই স্বাধীনতার মূল চেতনা। সম্পদের সুসম বণ্টন হয়নি। কারণ গরিব দিন দিন গরিব হচ্ছে এবং ধনীরা দিন দিন আরো ধনী হচ্ছে। যার ১০ একর জমি ছিল, তার এখন কমে গিয়ে ২-৩ একর বা শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে। আর যার ২০০ বিঘা জমি ছিল, সে এখন ৫০০ একর সম্পত্তির মালিক। ফলে সম্পদের সুসম বণ্টনের প্রশ্নে জনগণ স্বাধীনতার সুফল এখনো ভোগ করতে পারেনি। গণতন্ত্রই স্বাধীনতার মূল চেতনা, সেটাও এখন পুলিশের কব্জায় বন্দী। সরকার নিজেদের ক্ষমতায় রাখার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে, যা বাস্তবায়নের জন্য গণতন্ত্রকে হত্যা করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প সরকারের হাতে নেই। তাই তো বন্দুক, লাঠি, এজাহার ও চার্জশিট দেয়ার মালিক পুলিশের এত ক্ষমতা; যাদের কাছে অন্য সবাই অসহায়। এটা ক্ষমতাসীন সরকারের নিñিদ্র অবদান। এর অবসান হবে না, তবে করতে হবে।
আইনের চেয়ে পুলিশের ক্ষমতা বেশি, যেমনটি বারো হাত কাঁকরোলের (দেশীয় সবজি) তেরো হাত বিচি! দেশের উচ্চ আদালতও বিভিন্ন সময় দিকনির্দেশনা দিয়ে পুলিশকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। কারণ পুলিশ মনে করে, তাদের পেছনে বড় শক্তি হলো সরকার। অন্য দিকে সরকার মনে করে, দেশ ও জাতি যেখানেই থাক না কেন, পুলিশ ছাড়া তাদের চলবে না। ফলে এটাই বাস্তবতা যে, পুলিশই সরকার এবং সরকারই পুলিশ।
রাজনীতি ও সংবিধানকে পুলিশের কব্জায় বন্দী করলে চলবে না। কারণ রাজনীতি ছিল বলেই দেশ স্বাধীন হয়েছে, বাংলা রাষ্ট্রভাষা থেকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। রাজনীতি ছিল বলেই পুলিশের বড় কর্মকর্তারা বড় বড় পদ-পদবি পেয়ে আলিশান জীবনযাপন করছেন নতুবা গোলামির জিঞ্জির থাকত তাদের হাতে।

লেখক : আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ
taimuralamkhandaker@gmail.com

Top