পাগড়ী পেলো লেদা ইবনে আব্বাস মাদ্রাসার ১৭ জন  ‘হাফেজে কুরআন’  

Captureff_1-1.jpg

হাফেজ মুহাম্মদ কাশেম, টেকনাফ: 

টেকনাফ উপজেলার দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্টান লেদা ইবনে আব্বাস (রাঃ) আল-ইসলামিয়া মাদ্রাসার ২দিন ব্যাপী ১৪তম বার্ষিক সভা ১০ জানুয়ারী মঙ্গলবার মাদ্রাসা মাঠে সম্পন্ন হয়েছে। এতে পবিত্র কুরআন হেফজ সমাপ্তকারী ১৭ জন শিশু ক্ষুদে ‘হাফেজে কুরআন’ কে (দস্তারবন্ধী) পাগড়ী প্রদান করা হয়েছে। এদের প্রত্যেকের বয়স ১৫ বছরের নীচে।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক (মুহতমিম) আলহাজ্ব মাওঃ ক্বারী শাকের আহমদ (০১৮৭৪৬২২৩৮০) জানান এবারের প্রধান আকর্ষন ও প্রধান মেহমান হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসার মুহতমিম, গুলশান সেন্ট্রাল জামে মসজিদের খতীব, মজলিশে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের আমির আল্লামা মাহমুদুল হাসান (দাঃবঃ)। এছাড়াও ২ দিনে সভায় কুরআন-হাদিসের আলোকে মুল্যবান তকরীর পেশ করেন ঢাকা তালতলী মাদ্রাসার মুহতমিম আল্লামা হাফেজ মহিউদ্দিন খাঁন (দাঃবঃ), লোহাগাড়া রাজঘাটা মাদ্রাসার মুহাদ্দিস আল্লামা সৈয়দুল আলম আরমানী, টেকনাফ আল-জামিয়া আল ইসলামিয়ার মুহতমিম আল্লামা মুফতী কিফায়তুল্লাহ শফীক, লোহাগাড়া রাজঘাটা মাদ্রাসার মুহতমিম আল্লামা হাবিবুল ওয়াহেদ, পটিয়া জামিয়া ইসলামিয়ার সিনিয়র শিক্ষক আল্লামা মুফতী বুরহান উদ্দিন, মাওঃ আবুল কাসেম, মাওঃ সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।

সভার ২য় দিন ১০ জানুয়ারী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পবিত্র কুরআন হেফজ সমাপ্তকারী ১৭ জন ‘হাফেজে কুরআন’ কে (দস্তারবন্ধী) পাগড়ী প্রদান করা হয়। দস্তারবন্ধী করান ঢাকা যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসার মুহতমিম, গুলশান সেন্ট্রাল জামে মসজিদের খতীব, মজলিশে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশের আমির আল্লামা মাহমুদুল হাসান (দাঃ বঃ)। সৌভাগ্যবান সেই হাফেজগণ হলেন হোয়াইক্যং আমতলী কামাল উদ্দিন ও শামসুন্নাহারের পুত্র হাফেজ ইব্রাহীম, মনিরঘুনা নুর হোছন ও নসিমা খাতুনের পুত্র হাফেজ শহিদুল ইসলাম, কম্বন মরহুম আবুল মঞ্জুর ও লাইলা বেগমের পুত্র হাফেজ মোঃ আয়ুব, মুচনী জাদীমুরা মোঃ আমিন ও দওলা খাতুনের পুত্র হাফেজ ওমর ফারুক, লেদা পশ্চিমপাড়া মোঃ সালাম ও মমতাজ বেগমের পুত্র হাফেজ আক্তার কামাল, মাদ্রাসার প্রতিষ্টাতা পরিচালক (মুহতমিম) আলহাজ্ব মাওঃ ক্বারী শাকের আহমদ ও শাহেদা বেগমের ২ পুত্র হাফেজ শাহেদুল্লাহ এবং হাফেজ মোঃ সুহাইব, বাহারছড়া শামলাপুর আবদু শাকের ও নুর নাহারের পুত্র হাফেজ আবদুল হাকিম, হোয়াইক্যং লম্বাবিল হাজী কালা মিয়া ও হোসনে আরার পুত্র হাফেজ মোঃ সালমান, কম্বন লুকমান হাকিম ও আনোয়ারা বেগমের পুত্র হাফেজ অলীউল্লাহ, খারাংখালী মনজিল আহমদ ও খদিজা বেগমের পুত্র হাফেজ ওমর ফারুক, আমতলী তেচ্ছিব্রীজ মাওঃ জয়নাল আবেদীন ও শাহিনা বেগমের পুত্র হাফেজ মোঃ হোবাইব, এবং ইসহাক ও রায়হানা বেগমের পুত্র হাফেজ ওমর ফারুক, পশ্চিম লেদা মোঃ ছলিম ও মনোয়ারা বেগমের পুত্র হাফেজ আবু বকর, তেচ্ছিব্রীজ মাওঃ ইদ্রিস ও ছৈয়দা বেগমের পুত্র হাফেজ মোঃ ওসমান, পশ্চিম লেদা আবদুস শুক্কুর ও হাসিনা বেগমের পুত্র হাফেজ আবু সুফিয়ান, হোয়াইক্যং মনিরঘুনা মাওঃ শাহ আলম ও সালেহা বেগমের পুত্র হাফেজ মোঃ ইরফান।

এছাড়া বিগত বার্ষিক পরিক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ প্রত্যেক শ্রেনীর কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হচ্ছে ১ম স্থান অধিকারী পঞ্জুমের মোঃ ইউনুস, শশুমের নুরুল আমিন, হাপ্তুমের মোঃ সাদেক, হাস্তুমের আক্তার ফারুক, নহুমের মোঃ ইমরান, দহুমের মোঃ হোছাইন, ইয়াজদহুমের আবদুর রহমান, হেফজ বিভাগের মোঃ জুবাইর। ২য় স্থান অধিকারী পঞ্জুমের মোঃ ওসমান, শশুমের গিয়াস উদ্দিন, হাপ্তুমের সাইদুর রহমান, হাস্তুমের শিহাব উদ্দিন, নহুমের আবদুল গণি, দহুমের মোঃ শুয়াইব, ইয়াজদহুমের শাখাওয়াৎ হোছাইন, হেফজ বিভাগের মনসুর আলী। ৩য় স্থান অধিকারী পঞ্জুমের শাহাব উদ্দিন, শশুমের সিরাজুল ইসলাম, হাপ্তুমের মোঃ রফিক, হাস্তুমের মোঃ জুবাইর, নহুমের মোঃ ইউনুচ, দহুমের মোঃ শুয়াইব, ইয়াজদহুমের কফিল উদ্দিন, হেফজ বিভাগের মোঃ ইউনুচ ও সরওয়ার কামাল।

নুরানী বিভাগে ১ম স্থান অধিকারী ৩য় শ্রেনীর মোঃ আরমান, ২য় শ্রেনীর রমিদা বেগম, ১ম শ্রেনী ‘এ’ গ্রুপের মোঃ আরাফাত, ‘বি’ গ্রুপের মুজাহিদুল ইসলাম। ২য় স্থান অধিকারী ৩য় শ্রেনীর মোঃ ছিদ্দিক, ২য় শ্রেনীর মোঃ ইউনুচ, ১ম শ্রেনী ‘এ’ গ্রুপের নুর কাজল, ১ম শ্রেনী ‘বি’ গ্রুপের জাকের আহমদ। ৩য় স্থান অধিকারী ৩য় শ্রেনীর আবদুল্লাহ, ২য় শ্রেনীর জমিয়তুল খাইর, ১ম শ্রেনী ‘এ’ গ্রুপের মোঃ ইসমাইল, ১ম শ্রেনী ‘বি’ গ্রুপের মামুনুর রশিদ। নার্সারী শ্রেনীর ১ম স্থান ফায়জা আক্তার, ২য় স্থান আরিফুল ইসলাম, ৩য় স্থান ছমিরা আক্তার। একাধিক অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব মাওঃ ফরিদ আহমদ ও আলহাজ্ব মাওঃ আবুল কালাম আজাদ। সভা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মাওঃ হারুন।

Top